বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো গ্রাজুয়েট নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন ড. মোহাম্মদ ইউনুস চিকিৎসক, নার্স সহ শীঘ্রই ২০ হাজার নিয়োগ আসছেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী দারিদ্র ও মেধাবীদের লোনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সাময়িক স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। রাজধানীর দুই নার্সিং শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো সিলেট ওসমানী বিএনএ বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা মান্ধাতার আমলেরঃ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সাবেক অধ্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করতে নার্সদের অভিযোগ সরাসরি জানাতে বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় পর্যায়ে আইসিইউ প্রশিক্ষণ চালু রাখায় ওসমানী বিএনএ’র কৃতজ্ঞতা কক্সবাজারে ৮৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরির সুযোগ বিএসএমএমইউ’তে গ্রাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ক্যাপিং সেরিমনি অনুষ্ঠিত

নিজেকে কতটুকু বিলিয়ে দিলে নার্সরা সামাজিক মর্যাদা পাবে?

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০
  • ১৭৭৮ Time View

👤স্টাফ রিপোর্টারঃ লিজা খান | 🕑২৮.০৮.২০২০

গতকাল একটি পোস্টে উল্লেখিত ছবিটি ভাইরাল হয়। কোনো একটি হসপিটালের নার্সগণ যারা একটি পোস্টার দেয়ালে সেটেছেন। কিন্তু তাদের এই দায়ভার যেন নিতে হয়েছে সমস্ত নার্সিং সমাজের। পোস্টটিতে ইতিবাচক এবং নেতিবাচক কমেন্ট দিয়ে ভরিয়ে ফেলা হয়েছে। যদিও সেখানে নেতিবাচকটাই বেশি ছিলো।

এ বিষয়ে ড্যাফোডিল নার্সিং কলেজের লেকচারার মোঃ জাহিদ হাসান বলেছেনঃ

“নার্সরা নিজেকে কতটুকু বিলিয়ে দিলে তারা সামাজিক মর্যাদা পাবে –

ফাইল ছবি

১ নং ছবি দেখে আপনারা অনেক কমেন্ট করছেন। আপনাদের জায়গা থেকে আলোচনা, সমালোচনা করছেন। আমি আমার প্রফেশনের পক্ষ থেকে আপনাদের মন্তব্য প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

২ নং ছবিতে একজন নার্সের Activities দেখে আপনারা ইতিবাচক মন্ত্রব্য করেছেন। যা অামাদেরকে অনেক উৎসাহিত করেছে। আর্ত মানবতা প্রতি আমাদের দায়িত্ব যে বেড়ে গেছে সেটা অনুধাবন করা শুরু করেছে নার্স কমিউনিটি।

করোনাকালে PPE পরিধান করে নার্সরা যখন সার্বক্ষণিক রোগীদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের মাতৃভূমিকে করোনার থাবা থেকে মুক্ত করার জন্য সকল স্বাস্থ্যকর্মী একজোট হয়ে কাজ করছে তখনি অামরা নার্সদের কে অযাচিত মন্ত্রব্য করছি।

একটু ভাবুন তো আজ যদি নার্সরা যদি তাদের দায়িত্ব থেকে একটু সরে দাঁড়ায় (নার্সরা Proffessional Ethics প্রতি শ্রদ্ধাশীল) আমাদের স্বাস্থ্য সেবা কেমন হবে চিন্তা করুন? অনুরোধ রইল।

আমি কখনই ১নং ছবির ভাষ্য সাথে একমত নই। কারণ কখনও আমাদের স্টুডেন্টদের শিক্ষা দিই না যে তুমি নিজেকে জাহির করবা । আমরা স্টুডেন্টদের শিক্ষা দিই নিজেকে এমনভাবে তৈরি কর যেন তোমার Client তোমাকে Welcomed করে, এভাবে Strong Communication build up করে Trust জিনিসটা নিয়ে অাসো। তাহলে পরে তুমি একজন নার্স হিসেবে Care domain মাধ্যমে রোগীকে Sanitary environment, Comfort, Healthy জীবনের Part হতে পার।

আমরা একজন স্টুডেন্ট নার্সকে বলি Be empathetic, Be Assertive Be Non-Judgemental এবং বলে থাকি Careerists হতে হবে। তাহলে পরে তুমি অার্দশ নার্স হয়ে আর্ত মানবতা সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবা।

একটু বলতে চাই সকল ডাক্তারদের যেমন ডা: সাবরিনা প্রতিনিধিত্ব করে না তাদের অর্জনকে আমাদের অন্তর থেকে সরাতে পারবে না, তেমনি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নার্সদের অবদান ১/২ জন জন্য আপনারা ভুলে গেলে আমরা নার্স খুব অঘাত পাবো। কারণ করেনাকালে আমাদের সুপারহিরো বলে অ্যাখায়িত করে বাকি সময় নিগৃহীত, অযাচিত মন্ত্রব্য করে একটা স্বতন্ত্র প্রফশনকে অবহেলা করা উচিত হবে না।

শেষদিকে একটা কথা মনে করে দিতে চাই আমাদের দেশের মানুষদের আমরা কিন্তু প্রণোদনার টাকা তাৎক্ষণিক উঠিয়ে নেয় নি! এখনও পাই নি, আক্ষেপ নাই। চিরচেনা উদ্যমে আমরা নার্সরা রোগীর সেবা দিয়ে যাচ্ছি।
আরেকটু মস্তিষ্ক রিকল করবেন প্লিজ আমরা জীবনের ঝুকি নিয়ে PPE সল্পতা, N95 মাস্ক ছাড়া বাঙ্গালীদের সেবা দিয়েছি।

আমাদের স্যার, ম্যাডাম বলার দরকার নাই!
বিনীত নিবেদন করছি তবুও সিস্টার ব্রাদার বলবেন না।

নার্স বললে খুশি হব।”

নার্সিং শব্দটিতে জুড়ে রয়েছে সমাজের হাজারো ভ্রান্ত ধারণা। এই পেশাটাকে এই মানুষজন অনেক ছোট করে দেখে। যদিও এখন মানসিকতার অনেক পরিবর্তন হচ্ছে কিন্তু সেই ভ্রান্ত ধারণা গুলো যেন এখনো রয়ে গেছে। মানুষ ভাবে নার্স মানেই স্যালাইনসেট আর ইনজেকশন নিয়ে ওয়ার্ডে ছুটে যাওয়া। তার জন্য হয়তো আর কোনো শিক্ষার প্রয়োজন হয় না। ক্লাস এইট বা এসএসসি পাশ করেই নাকি নার্স হওয়া যায়। আসলেই কি তাই। চলুন তো দেখি আসি নার্স হওয়ার পিছনের গল্পটা।

একজন নার্স হতে হলে সর্বপ্রথম যে জিনিসটা লাগে সেটা হচ্ছে মানুষকে সেবা করার, মানুষের পাশে থাকার প্রবল ইচ্ছে। সেবা করার মানসিকতা, মহত্ত্ব, দয়া,মায়া, সহানুভূতি, সমানুভূতি এই উপাদানগুলো যার মধ্যে থাকবে না৷ সে আর যাই হোক কখনো নার্স হতে পারবে না৷

নার্সিং এর মধ্যে আবার তিনটি ক্যাটাগরি রয়েছে।
১. ডিপ্লোমা ইন নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারী
২. ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারী
৩. বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং

প্রতিটি কোর্স সম্পর্কে চলুন বিস্তারিত জানা যাক

√ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারিঃ

এইচএসসি পাশের পর বিজ্ঞান, মানবিক এবং ব্যবসা শিক্ষা শাখা থেকে শিক্ষার্থীরা এই কোর্সে আবেদন করতে পারেন। বাংলাদেশ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারী কাউন্সিলের কারিকুলাম, ২০১৮ অনুসারেঃ

কোর্সের মেয়াদকালঃ ৩ বছর।
মোট কোর্স ঘন্টাঃ ৫১১২ ঘন্টা
মোট নম্বরঃ ৩১০০

এছাড়া প্রতিমাসে ১৫ দিন থিওরি ক্লাস এবং ১৫ দিন প্র্যাকটিক্যাল অর্থাৎ হসপিটাল ডিউটি করতে হয়। যেখানে ৬ ঘন্টা( সকাল ৮ টা- দুপুর ২ টা, দুপুর ২ টা থেকে রাত ৮) এবং নাইট ডিউটির ক্ষেত্রে ১২ ঘন্টা( রাত ৮ টা থেকে সকাল ৮টা) পর্যন্ত ডিউটি করতে হয়।
কোর্স শেষ করার পর আবার রয়েছে ৬ মাসের ইন্টার্নশিপ৷।

ডিপ্লোমা এন্ড মিডওয়াইফারী কোর্সে টোটাল ১৭ টি সাবজেক্ট রয়েছে। যেখানে প্রতিটি সাবজেক্টে লিখিত,ব্যবহারিক এবং মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। প্রতিটি ধাপে (লিখিত, ব্যবহারিক,মৌখিক) ৬০% হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনছেন ৬০% নাম্বার পেয়ে আলদা আলাদাভাবে পাশ করতে হয়৷

√ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারীঃ

মাতৃ মৃত্যু হ্রাস, সুস্থ নবজাতক জন্মদান এরই উদ্দেশ্যে মিউওয়াইফারী নার্স।। এইচএসসি পাশের পর বিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা থেকে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে সরকারি বা বেসরকারি ভাবে এখানে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকে। বাংলাদেশ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারী কাউন্সিল প্রণীত কারিকুলাম,২০১৯ অনুসারেঃ
কোর্সের সময়কালঃ ৩ বছর৷
মোট কোর্স ঘন্টাঃ ৪৯০৮ ঘন্টা
মোট নাম্বারঃ ৩০০০
ইন্টার্নশিপঃ ৬ মাস
হসপিটাল প্র্যাকটিসঃ ৩৯ সপ্তাহ।
আপনারা হয়তো জেনে অবাক হবেন যে জন্মদানের ক্ষেত্রে মিডওয়াইফারীরাই সবথেকে বেশি ভূমিকা পালন করে থাকেন। মাতৃত্বকালীন সময়ে যেকোন ধরণের সেবাদান মিডওয়াইফ রাই করে থাকেন।

বেসিক বিএসসি ইন নার্সিংঃ

নার্সিং শিক্ষার সর্বশেষ ইডিশন হচ্ছে বেসিক বিএসসি ইন নার্সিং। বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্ডারে বর্তমানে সরকারিভারে ১৩ টি নার্সিং কলেজ।

বিএসসি নার্সিং সম্পর্কিত কিছু কথা:

চার বছর মেয়াদি বিএসসি ইন নার্সিং শুধু মাত্র চারটি
বছরই নয়……..
১) সাথে আরও ৬ মাস মেডিকেল কলেজ হসপিটালে
ইন্টার্নশীপ।
২) ৩৫ টি সাবজেক্টের ইউনিভার্সিটি এক্সাম।
৩) ২৫২৬ ঘন্টা থিওরি ক্লাস।(acc to Syllabus)
৪) ৭৬৬ ঘন্টা ল্যাবরেটরি প্রাকটিস।(acc to Syllabus)
৫) ৩২৪০ ঘন্টা ক্লিনিকাল প্রাকটিস (without
ইন্টার্নশীপ)। (acc to Syllabus)
৬) ৪ টি ইউনিভার্সিটি এক্সাম (সাপ্লি এক্সট্রা)।
৭) ৫০০+ ক্লাস টেস্ট।
৮) ১০০+ প্রেজেন্টেশন ও এসাইনমেন্ট।
৯) কাউন্টলেস নোটবই সাথে টেক্সট বই।
১০) আন্তজার্তিক মানের রিসার্চ এক্সপ্রিয়েন্স।

বেসরকারি ভাবে আরো কিছু প্রতিষ্ঠানে এটি চালু রয়েছে। এইচএসসি পাশ করার পর অবশ্যই বিজ্ঞান শাখা থেকে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই কোর্সে পড়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন। বাংলাদেশ নার্সিং এন্ড মিডওয়াইফারী কাউন্সিল প্রণীত এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত কারিকুলাম,২০০৬ অনুসারেঃ

কোর্সের মেয়াদঃ ৪ বছর
কোর্স ঘন্টাঃ ৬৬৭২ঘন্টা
মোট নাম্বারঃ ৫২০০
ইন্টার্নশিপঃ ৬ মাস।
এই কোর্সে টোটাল ৩০ টি বিষয়ে অধ্যয়ন করতে হয় যার মধ্যেঃ
জেনারেল কোর্সঃ ৪
বেসিক কোর্সঃ৭
প্রফেশনাল কোর্সঃ ১৯
অন্যগুলোর মতো এই কোর্সেও রয়েছে থিওরি ক্লাসের পাশাপাশি, ল্যাব এবং হসপিটাল ডিউটি।

পরীক্ষা পদ্ধতিঃ প্রতিটি কোর্সের জন্য তিনটি ধাপে পরীক্ষা হয়ে থাকে। লিখিত,ব্যবহারিক,মৌখিক।
প্রতিটিতে পাশ নম্বর মোট নম্বরের ৬০%. তিনটি অংশের কোনো একটিতে ৬০% এর কম পেলে তাকে অবশ্যই পুনরায় পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।। আর হ্যাঁ, বিশেষভাবে উল্লেখ্য,আমাদের কিন্তু প্রতিটা কোর্সের জন্য আলাদা আলাদা ভাইবা দিতে হয়। অন্য সবার মতো একদিন কোট টাই পড়ে ফটোশনের মাধ্যমে ভাইবা শেষ করার সুযোগ কিন্তু আমরা পাই না৷ আবার বলে রাখি, নার্সিং সকল কার্যক্রম কিন্তু ইংলিশ মিডিয়ামেই পরিচালিত হয়ে থাকে। জেনে নিশ্চয়ই অবাক হয়েছেন।

উচ্চশিক্ষাঃ নার্সিং এ রয়েছে উচ্চশিক্ষার অনেক অনেক সুযোগ। ডিপ্লোমা কমপ্লিট করার পর ২ বছরের বেসিক বিএসসি কোর্স করতে হয়। তারপর পরবর্তী ধাপে যেতে। আর বেসিক বিএসসি পড়ার পর M.Sc, MPH, PHD যে যা চাই তার ইচ্ছে,পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী পড়তে পারবে। অনেকে তো পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের জন্য দূর দেশে পাড়ি জমায় সেখানেও রয়েছে অফুরন্ত সুযোগ। আর বাংলাদেশে নিপসম, নিয়েনার, বিএসএমএমইউ তো রয়েছেই। আর হ্যাঁ, সবার আরাধ্য সোনার হরিণ বিসিএস ও কিন্তু দেয়া যায় বেসিক বিএসসি করার পর। রয়েছে সেক্টর পরিবর্তনেরও সুযোগ। ব্যাংক, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ পরীক্ষা, আপনি কিন্তু চাইলে সবকিছুতেই অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

এখন ভাবুন একটা নার্স,আপনাকে সামান্য ইনজেকশন দেবার জন্য ঠিক কতোটা পরিশ্রম করে আসে। আফসোস, এরপরও আমরা নার্সদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলি।

এতো গেলো শিক্ষা ব্যবস্থা চলুন তাহলে এবার প্রফেশনাল দিকটিতে যাওয়া যাকঃ

নার্স যিনি সর্বদা রোগীর পাশে থেকে, রোগীর নিকটে থেকে,হাতে হাত রেখে কাজ করে যান তিনিই তো নার্স।

বর্তমানে চলমান করোনা সংকটে নিজের জীবন বাজি রেখে কাজ করে যাচ্ছেন নার্স। কেউ কেউ তো নিজের জীবনই বিলিয়ে দিয়েছেন,মানবতার খাতিরে নিজের জীবন দান করে গেছেন।

কারো জীবনের শুরু অথবা শেষ পুরোটাই তো নার্সের হাতে হয়ে থাকে।। একটা রোগী নিয়ে যাবার পর সবার প্রথমে যার ডাক পড়ে সেই তো নার্স, একটা জন্মের পর প্রথম যার কোলের ছোঁয়া পায় সেই তো নার্স, মৃত্যুর আগে সর্বশেষ স্পর্শ সেটাও তো নার্স। তাহলে আমরা কিভাবে নার্সের ত্যাগকে অস্বীকার করি

 

তথ্যসূত্র: বিএনএমসি কোর্স কারিকুলাম ও মেডিসিন ফ্যাকাল্টি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102