শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

জ্বরঠোসার কারণ ও প্রতিকার

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪৯১ Time View

স্টাফ রিপোর্টার- সুরাইয়া খাতুন, নাটোর।

ঠোঁটের কোনার চারপাশে যে ফুসকুড়ি হয় প্রচলিত ভাষায় আমরা তাকে জ্বরঠোসা বা জ্বরঠুঁটো বলে চিনি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এটাকে ফিভার ব্লিষ্টার বলে। প্রকাশ পাবার ২-৩দিনের মধ্যে ব্যথা হলে তাকে বলে কোল্ড সোর।

জ্বরঠোসার লক্ষণঃ-

★ঠোটের কোনে বা আশেপাশে গুচ্ছবদ্ধ ফুসকুড়ি
★বমি বমি ভাব অথবা বমি
★জ্বর
★মাথা ব্যথা
★ঠোটে টনটনে ব্যথা হওয়া বা চুলকানি অনুভব করা
★কিছু খেতে,কথা বলতে বা গিলতে অসুবিধা হওয়া

জ্বর ঠোসা হওয়ার কারণঃ-

জ্বর ঠোসা বা ফিভার ব্লিষ্টার রোগের প্রধান কারণ হলো HSV-1 (Harpes Simplex Virus-1) ইনফেকশন। প্রায় ৮০% মানুষ HSV-1 এ আক্রান্ত হয়ে থাকেন। তবে এ জীবাণু সুপ্ত অবস্থায় থাকে। কারো কারো ক্ষেত্রে ১০ বছর বয়সে প্রথম প্রকাশ পায়।

জ্বরঠোসা হওয়ার কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ-

★মানসিক চাপ
★মেয়েদের মাসিকের সময়
★সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাব
★কোনো ইনফেকশন

সাধারণত জ্বরঠোসা ৭-১৪ দিন পর্যন্ত থাকে এবং জীবনে বারবার এটির প্রকাশ ঘটে।

জ্বরঠোসার প্রতিরোধঃ-

★মানসিক চাপ মুক্ত থাকা
★ব্লিস্টার স্পর্শ করলে ভালো করে হাত ধুয়ে ফেলা
★ছোটদের চুমু দেয়া থেকে বিরত থাকা
★সানস্ক্রিন ক্রিম, লিপ-বাম ব্যবহার করা।
★চুম্বন ও ওরাল সেক্স থেকে বিরত থাকা
★পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা।

জ্বরঠোসা সারানোর ঘরোয়া উপায়ঃ-

★অ্যান্টি ভাইরাল উপাদান সমৃদ্ধ টি ট্রি অয়েল তুলোয় নিয়ে জ্বর ঠোসায় লাগান। দিনে বেশ কয়েকবার লাগান আর ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকিয়ে তাড়াতাড়ি সেরে উঠুন।

★সুতির কাপড়ে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ভিজিয়ে জ্বর ঠোসার ওপরে লাগান।

★রসুনের কোয়া বেটে সরাসরি ক্ষত স্থানে দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার লাগান।

★ক্ষতস্থানে মধু লাগিয়ে রাখুন ৫ থেকে ১০ মিনিট। কারণ মধু অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল সমৃদ্ধ। দিনে অন্তত দুইবার ব্যবহার করুন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102