শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো গ্রাজুয়েট নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন ড. মোহাম্মদ ইউনুস চিকিৎসক, নার্স সহ শীঘ্রই ২০ হাজার নিয়োগ আসছেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী দারিদ্র ও মেধাবীদের লোনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সাময়িক স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। রাজধানীর দুই নার্সিং শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো সিলেট ওসমানী বিএনএ বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা মান্ধাতার আমলেরঃ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সাবেক অধ্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করতে নার্সদের অভিযোগ সরাসরি জানাতে বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় পর্যায়ে আইসিইউ প্রশিক্ষণ চালু রাখায় ওসমানী বিএনএ’র কৃতজ্ঞতা কক্সবাজারে ৮৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরির সুযোগ বিএসএমএমইউ’তে গ্রাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ক্যাপিং সেরিমনি অনুষ্ঠিত

মানসিক শক্তি দিয়ে করোনা জয় করলেন ডা. শাকিল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১০ জুন, ২০২০
  • ৩৪৬ Time View

👤মতিউর রহমান |🕑১০.০৬.২০২০ইং

 
কেবল মানসিক শক্তি দিয়ে ৫৮ বছর বয়সেও করোনাভাইরাসকে হার মানালেন ডা. শাকিল আহমেদ! বাসায় আইসোলেশনে থেকে কোনো ওষুধ ছাড়াই নিয়মিত গরম পানির ভাপ ও গড়গড়া করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনা পরীক্ষার প্রধান ল্যাব বিআইটিআইডির মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ল্যাবপ্রধান তিনি। করোনা যুদ্ধের অন্যতম ফ্রন্টফাইটার এই চিকিৎসকের নেতৃত্বেই ২৫ মার্চ থেকে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়। একদিনের জন্যও অনুপস্থিত ছিলেন না কর্মস্থলে। বিরতিহীনভাবে গত ২৫ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ল্যাবে কাজ চালিয়ে গেছেন। ২৬ মে নিজের করোনা পজিটিভ রিপোর্টে নিজেই স্বাক্ষর করে নজর কেড়েছিলেন সবার। প্রতিদিন শত শত করোনা আক্রান্ত মানুষের রিপোর্টে স্বাক্ষর করা এই চিকিৎসক নিজের করোনা পজিটিভ জেনেও একটুকু বিচলিত হননি। তিনি বললেন, মনোবলই সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে।

করোনা যুদ্ধ জয়ের গল্প তুলে ধরতে গিয়ে ডা. শাকিল আহমেদ বলেন, ‘রোগীদের সেবায় নিয়োজিত থাকা অবস্থায় গত ২৬ মে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হই। সেদিন থেকেই হোম

আইসোলেশনে চলে যাই। বাসায় থেকে কোনো ওষুধ না খেয়েই শুধু গরম পানিতে ভাপ নিয়ে আর গড়গড়া করে আক্রান্ত হওয়ার ১১ দিনের মাথায় করোনাযুদ্ধে জয়ী হয়েছি।’ চট্টগ্রামে ৫৮ বছর বয়সে মনোবল ও ব্যতিক্রমী পদ্ধতি ব্যবহার করে করোনাকে হার মানানোর এটিই কোনো চিকিৎসকের প্রথম ঘটনা। ডা. শাকিলকে অন্যদের জন্য অনুসরণীয় হিসেবে দেখছেন চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য প্রশাসনসহ সংশ্নিষ্টরা।

এই করোনাযোদ্ধা বলেন, ‘সামান্য সময়ের জন্যও মনোবল হারাতে দিইনি। করোনা পজিটিভ হলে সবার আগে মনোবল ঠিক রাখতে হবে। বাসাতে এক রুমে আলাদা থেকে রাতে ঘুমানো ছাড়া সারাদিন ঘুমিয়ে বা শুয়ে থাকা যাবে না। কিছু বিশ্রাম বাদে বাকি সময় পায়চারি করে, বসে, বই পড়ে, মোবাইল টিপে বা নামাজ-কালামে ব্যস্ত থেকেছি।’

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, ‘অনেকে ডা. শাকিল আহমেদকে চট্টগ্রামে করোনা যুদ্ধের সেনাপতি বলেন। কারণ তার হাতেই বিআইটিআইডি ল্যাবে করোনার নমুনা পরীক্ষা শুরু হয়। তার দৃঢ় মনোবল ও পদ্ধতি সবার জন্য অনুসরণীয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102