রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো চিকিৎসক, নার্স সহ শীঘ্রই ২০ হাজার নিয়োগ আসছেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী দারিদ্র ও মেধাবীদের লোনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সাময়িক স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। রাজধানীর দুই নার্সিং শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো সিলেট ওসমানী বিএনএ বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা মান্ধাতার আমলেরঃ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সাবেক অধ্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করতে নার্সদের অভিযোগ সরাসরি জানাতে বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় পর্যায়ে আইসিইউ প্রশিক্ষণ চালু রাখায় ওসমানী বিএনএ’র কৃতজ্ঞতা কক্সবাজারে ৮৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরির সুযোগ বিএসএমএমইউ’তে গ্রাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ক্যাপিং সেরিমনি অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত নার্সিং কলেজ সমূহ

নার্সিং অধিদপ্তরে শৃংখলা এনেছে পরিচালক উপসচিব আবদুল হাই

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০
  • ৩০১১ Time View
{"source_sid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1594796053981","subsource":"done_button","uid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1594796053952","source":"other","origin":"gallery"}

ডেস্ক রিপোর্ট : বদলি ও পদায়ন বাণিজ্য, হজ্ব টিমে এবং ট্রেনিংয়ে নাম দিতে ঘুষ, তিন বছর অন্তর রেস্ট ও রিক্রেশন বিল তুলতে এবং জি.পি.এফ’র টাকা ছাড় করাতে ঘুষ- এই সব অনিয়ম যেন নিয়মে পরিণত হয়েছিলো নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে।

নিজেদের প্রয়োজনে এবং নিয়ম মাফিক প্রাপ্যটুকু ভোগ করতেও দালাল চক্রের হাতে তুলে দিতে হতো লাখ লাখ টাকা। মুরব্বিরা বলে থাকেন, ‘মাঝে-মধ্যে শরীরে বিষফোঁড়া হওয়া ভালো। এতে করে শরীরের জন্য ক্ষতিকর, এমন বিষাক্ত পদার্থগুলো বেড়িয়ে যায়। শুরুতে কষ্ট হয়, একটা সময় পরে স্বস্তি মেলে’।

এমনই বিষফোঁড়া হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন মেধাবী দক্ষ সরকারি কর্মকর্তা চাঁদপুরের সাবেক অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও বর্তমানে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ) মোহাম্মদ আবদুল হাই পিএএ। তিনি নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরকে এখন অনেকটা শৃংখলায় ফিরে এনেছে ।

বর্তমানে এই নামটি নার্স সমাজে ব্যাপক আলোচিত। তবে কারো কারো কাছে অপছন্দনীয়ও।

উপ-সচিব মর্যাদার কর্মকর্তা আবদুল হাইয়ের তৎপরতায় বর্তমানে নার্সদের মধ্যে বৃহৎ একটি অংশ ‘বিষফোঁড়া’ নিয়েও স্বস্তি বোধ করছেন। বেশ কয়েকজন নার্সের সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

তাদের ভাষ্য হচ্ছে- দুর্নীতির পেখম মেলে একটি চক্র দুর্দান্তভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছিলো নার্সিং সেক্টর। দাপ্তরিক যে কোনো প্রয়োজনেই ওই দালাল চক্রের শরণাপন্ন না হলে মিলতো না সমাধান। নিজের প্রাপ্য বুঝে নিতে খরচ করতে হতো লাখ লাখ টাকা। কিন্তু পরিচালক আবদুল হাই ওই ‘উড়ন্ত’ দুর্নীতিবাজ চক্রের ডানা ভেঙে দিয়েছেন।

সামনে নিয়ে এসেছেন স্বচ্ছ আয়না।এনেছেন শৃংখলায় । স্বস্তিতে থাকা নার্সরা উপরোল্লেখিত বিভিন্ন দুর্নীতি-অনিয়মের ভুক্তভোগী। তারা জানিয়েছেন- উপ-সচিব আবদুল হাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ্যে জানতে চাইছেন নার্সদের কার কি অসুবিধা। সমাধানযোগ্য সমস্যাগুলো সঙ্গে সঙ্গেই সমাধান করে দিচ্ছেন।

পাশাপাশি তিনি সকল নার্সদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলে দিয়েছেন, যার যে কোনো সমস্যা, নির্দ্বিধায় সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং দালাল চক্রকে এড়িয়ে চলতে।

এতে করে, সাধারণ নার্সদের মধ্যে তাদের সেক্টরকে ঘিরে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে দালাল চক্রে জড়িত নার্সসহ অন্য কর্মকর্তারা রয়েছেন অস্বস্তিতে। তারা আবদুল হাইয়ের এই ‘বিনা খরচের’ সমস্যা সমাধানের পথটিকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন এক শ্রেনীর দালাল চক্র । তাকে বিতর্কিত করতে বিভিন্ন সময় ছড়িয়ে দিচ্ছেন তার দুর্নীতির গুজব খবর।

শোনা যাচ্ছে, নার্সদের আস্থা ও ভরসার পাত্র হয়ে ওঠা এই কর্মকর্তাকে সমালোচনার মুখে ফেলতে দুর্নীতিবাজ চক্র ব্যাপক সক্রিয় রয়েছে। তারা পায়তারা করছে কিভাবে আবদুল হাইকে নার্সিং অধিদপ্তর থেকে সরানো যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নার্স বিডিনার্সং২৪ কে বলেন, জনাব আব্দুল হাই অত্যন্ত সৎ ও নিষ্ঠাবান। আগামী নার্সংয়ের উন্নয়নে তার মতো লোকের বিকল্প নেই।

উল্লেখ্য, এর আগে এই অধিদপ্তরের একজন মহাপরিচালক সততার সঙ্গে নার্সদের জন্য কাজ করতে গিয়ে খুব অল্প দিন টিকতে পেরেছিলেন চেয়ারে। আবদুল হাইয়ের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটার আশঙ্কা করছেন দীর্ঘ বছর ধরে কেউ কেউ। নার্সদের বেশ কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা পেতে তাদের বিপুল অংকের ঘুষ দিতে হতো।

যে কারণে অনেক নার্স সামান্য বেতনের টাকা দিয়ে জীবিকা চালাতে হিমশিম খেতে হয়। আর তাদেই কোনো কোনো সহকর্মী বিভিন্ন সংগঠনের নেতা বনে গিয়ে কিংবা দালাল চক্রের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কোটিপতি হয়ে গেছেন। অর্থাৎ নিজ পেশার সহকর্মীদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিয়েই বিত্ত-বৈভবের মালিক হয়েছেন দালাল চক্রের সদস্যরা। এমন “বিষফোঁড়া” আমরা সবসময় চাই।

 

source: chandpur khabor

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102