বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৬ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো গত ১০ বছরে ৩২ হাজার নার্স নিয়োগঃ প্রধানমন্ত্রীকে স্বানাপের শুভেচ্ছা নতুন আট হাজার নার্স নিয়োগ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সাদেকের শুভেচ্ছা গ্রাজুয়েট নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন ড. মোহাম্মদ ইউনুস চিকিৎসক, নার্স সহ শীঘ্রই ২০ হাজার নিয়োগ আসছেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী দারিদ্র ও মেধাবীদের লোনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সাময়িক স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। রাজধানীর দুই নার্সিং শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো সিলেট ওসমানী বিএনএ বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা মান্ধাতার আমলেরঃ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সাবেক অধ্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করতে নার্সদের অভিযোগ সরাসরি জানাতে বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় পর্যায়ে আইসিইউ প্রশিক্ষণ চালু রাখায় ওসমানী বিএনএ’র কৃতজ্ঞতা

নার্সিং অধিদপ্তরের অবহেলায় বাড়ছে নার্সদের করোনা সংক্রমন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৭ জুন, ২০২০
  • ২৮৩ Time View
{"source_sid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1592409975710","subsource":"done_button","uid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1592409975676","source":"other","origin":"gallery"}

নিজস্ব প্রতিবেদক: নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তর নার্সদের সর্বচ্চ অভিভাবক। বাংলাদেশে সরকারিভাবে ৩৭৮০৪ জন নার্স কর্মরন আছেন। বেসরকারিভাবে প্রায় ২৫ হাজার। যারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে করোনা ওয়ার্ডে ডিউটি করে আসছে।

মার্চের ২১ তারিখ দেশে প্রথম নার্স করোনায় আক্রান্ত হয়।সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি এন্ড রাইটস এর তথ্য মতে এপর্যন্ত ১৩১০ জন নার্স করোনায় আক্রান্ত। এর মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছে ৪ জন রেজিস্ট্রার্ড নার্স। শুরু থেকেই পিপিই সংকটে ভুগছে নার্সরা। এপ্রিলের মাঝামাঝি একটি গবেষনা জরিপে দেখ গেছে দেশের ৮৬% নার্স পূর্নাঙ্গ পিপিই পায়নি। এর সাথে সংক্রমণ প্রতিরোধের প্রশিক্ষণও পায়নি ৮৬% নার্স। এজন্য দেশের নার্সরা সবচেয়ে ঝুকিতে আছে। এবং দিন দিন নার্সদের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

প্রশিক্ষণের ব্যাপারে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ার মতো নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডাক্তারদের প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থা করলেও নার্সিং অধিদপ্তর থেকে কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। তাছাড়া দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে নার্সরা আরও ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তাদের থাকার জন্য পরিত্যক্ত ডরমিটরি দেয়া হচ্ছে। অভিযোগ করেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের একজন নার্স জানান, তাদের থাকার জন্য পরিত্যক্ত ডরমিটরি দেয়া হয়েছে, খাবার দেয়া হচ্ছে নিন্মমানের। পলিথিনে করে খাবার দেয়া হচ্ছে। তাছাড়া হাসপাতালে সুরক্ষা সামগ্রীও ঠিকমতো দেয়া হচ্ছে না। নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোনো ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে না।

জিঞ্জারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক নার্স জানান, তাদের হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডের উপরের তলায় থাকার ব্যাবস্থা করা হয়েছে। মেঝেতে থাকতে হচ্ছে এসব ফ্রন্টলাইন ফাইটারসদের। একরুমে অনেকজন থাকায় সংক্রমণও হচ্ছে। গত কয়েকদিনে প্রায় ৫০% নার্সই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। নার্সিং অধিদপ্তর এসব সমস্যা জানার পরেও কর্নপাত করছে না।

সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি এন্ড রাইটস এর মহাসচিব সাব্বির মাহমুদ তিহান বলেন, করোনা মোকাবিলা করতে হলে নার্সদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। কারণ সংক্রমণ প্রতিরোধের সার্বিক জ্ঞান আমাদের খুবই কম। এই নার্স নেতা আরও জানান, অধিদপ্তরের সাথে নার্স নেতাদের কোনো যোগাযোগ নেই। নার্সদের হাজারো সমস্যা থাকলেও নার্সদের সমস্যা সমাধান নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। খুব শীঘ্রই ব্যাবস্থা না নিলে দেশের ক্রান্তিলগ্নে অধিকাংশ নার্স সংক্রমিত হবে। এতে স্বাস্থ্য ব্যাবস্থা ভেঙে পড়বে। অতিশীঘ্রই তিনি দেশের সকল নার্সদের সংক্রমণ প্রতিরোধের প্রশিক্ষণ করাতে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদপ্তরের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষন করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102