শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ‘নিওকোভ’ কি সবচেয়ে প্রাণঘাতী? করোনায় আক্রান্ত স্বাচিপ মহাসচিবের সুস্থতা কামনায় স্বানাপ মহাসচিব ইকবাল হোসেন সবুজ টিকা আবিষ্কার ও ব্যবহারের অনুমতির আগেই সরকার টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় : মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ২৪ ঘন্টায় কোভিড-১৯ এ মৃত্যু ১৪, আক্রান্ত ১০ হাজার ৯০৬ জন কোভিড-১৯: দেশে ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ১৭ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজ, দিনাজপুর অধ্যক্ষ তাজমিন আরার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় বাংলাদেশে নার্সেস এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন বাংলাদেশে নার্সেস এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন? বাংলাদেশে নার্সেস এসোসিয়েশনের আহবায়ক কমিটি গঠন? বাংলাদেশ হেলথ রির্পোটার্স ফোরামের কমিটি গঠন সভাপতি রাশেদ রাব্বি, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল সোহেল

ডিপ্লোমা নার্সিং পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণসমূহ বিশ্লেষণ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২০
  • ১৭০৪ Time View
{"source_sid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1593017154203","subsource":"done_button","uid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1593017154201","source":"other","origin":"unknown"}

বিডিনার্সিং২৪ রিপোর্টঃ ডিপ্লোমা নার্সিং পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ের সম্ভাব্য কারণসমূহ বিশ্লেষণ করেছেন মহাখালী কলেজ অব নার্সিংয়ের সন্মানিত অধ্যাক্ষ অধ্যাপক ড. মফিজ উল্লাহ। নিচে তার গবেষণামূলক লেখাটি তুলে ধরা হলোঃ

নার্সিং শিক্ষার শুরু থেকেই বাংলাদেশে নার্সিং কাউন্সিল (বর্তমানে বিএনএমসি), সকল ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সগুলোর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করতেন। বিএসসি নার্সিং কোর্সগুলোর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।
নার্সদের নিবন্ধন প্রদান ও বাতিলের এখতিয়ার একমাত্র বিএনএমসির। ১৯৮৩ সালের অধ্যাদেশের বলে বিএনএমসিকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয় এবং ২০১৬ সালের সংশোধিত আইনেও তা বলবত আছে। অর্থাৎ একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা বোর্ডের ন্যায় পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় ক্ষমতা বিএনএমসিকে দেওয়া আছে। যে পর্যন্ত পৃথক কোন বোর্ড বা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠিত না হবে ততদিন পর্যন্ত বিএনএমসি পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করবে।

আধুনিক বিশ্বের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা পদ্ধতি সেমিস্টার সিস্টেম। সঠিক সময়ে কোর্স কারিকুলাম সমপন্ন করা স্ব -স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সেমিস্টার সিস্টেমের মাধ্যমে সঠিকসময়ে কোর্স সিলেবাস সমপন্ন করা সম্ভব এবং এতে স্টুডেন্টদের উপর চাপ কমে যায়।

এভাবনা থেকে বিএনএমসি নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সেমিস্টার সিস্টেম পদ্ধতি চালু করে। কিন্তু বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগের কারণে বিএনএমসি পুনরায় কেন্দ্রীয়ভাবে বার্ষিক পরীক্ষা পদ্ধতিতে ফিরে আসে।

চলুন এবারে পরীক্ষা বিপর্যয়ের মূলকারণসমূহ খুঁজে বের করি:

১. অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানগুলো অনভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

২. শিক্ষক-স্টুডেন্টের আনুপাতিক হার অনুসরণ না করা।

৩. অপর্যাপ্ত রিসোর্স ( যেমন; ক্লাসরুম, টিচিং এইড এন্ড ম্যাটেরিয়ালস, হোস্টেল, ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি।

৪. পাঠ্যক্রম ও রোটেশন প্লান অনুসারে যথোপযুক্ত হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্র্যাকটিস প্লেসমেন্ট না দেওয়া।

৫. অনভিজ্ঞ ও অপর্যাপ্ত ক্লিনিক্যাল গাইড।

৬. ৯৫% শিক্ষকের সংশোধিত কারিকুলাম সম্পর্কে ধারণা না থাকা।

৭. ৯৫% শিক্ষকের স্কোরিং সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকা।

৮. ৯৫% শিক্ষকের পাঠদান তৈরী ( Lesson Plan) সম্পর্কে জ্ঞান না থাকা

৯. অধিকাংশ শিক্ষকের Assignment Writing Fomate সম্পর্কে ভালো জ্ঞান না থাকা।

১০. অধিকাংশ শিক্ষক এ্যাসাইনমেন্ট রি- রাইট সম্পর্কে জ্ঞাত নন।

১১. হাতেগনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সেমিনার / ওয়ার্কশপ / প্রজেক্ট / কেইস প্রেজেন্টেশন পদ্ধতি অনুসরণ করেন। বাকীরা………

১২. অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ মানসম্মত নার্সিং শিক্ষা সম্পর্কে উদাসীন এবং ব্যবসায়িক দৃষ্টিভংগী।

১৩. একই শিক্ষক দ্বারা ৪/৫ টি বিষয়ে পাঠদান করিয়ে নেয়া।

১৪. কম বেতন প্রদান করা

সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সমস্যাগুলোঃ

★ সৃজিত শিক্ষকের পদসংখ্যা অপ্রতুল। তবে, সংযুক্তি দিয়ে শিক্ষকের ঘাটতি (আনুপাতিক হার) পূরণ করা হচ্ছে।
এছাড়া, আমি মনে করি – ক্রমিক নং ১ হতে ১১ পর্যন্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

সমাধান

১. পর্যান্ত রিসোর্স নিশ্চিত করা

২. ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত টিচার্স ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা অপরিহার্য।

৩. প্রাইভেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের ক্ষেত্রে শিক্ষকদের যোগ্যতা অনুযায়ী সম্মানজনক বেতন- ভাতা প্রদান করা।

৪. যেসমস্ত প্রতিষ্ঠান পরীক্ষার ফলাফল খারাপ করবে সেসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন স্থগিত রাখ।

৫. শর্ত সাপেক্ষে স্থগিতকৃত প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষাকার্যক্রম পুনরায় চালুর অনুমতি প্রদান করা। এবং

৬. ডাক্তার – নার্সের আনুপাতিক হার GAP পূরণের লক্ষে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তির আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করা।

৭. সকল বর্ষের পরীক্ষা বিএনএমসির অধীন পরিচালিত হওয়া জরুরী।

লেখকঃ-
অধ্যাপক ড. মফিজ উল্লাহ
অধ্যক্ষ- মহাখালী কলেজ অব নার্সিং
সভাপতি- ডিজেস্টার নার্সিং এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102