সোমবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো গত ১০ বছরে ৩২ হাজার নার্স নিয়োগঃ প্রধানমন্ত্রীকে স্বানাপের শুভেচ্ছা নতুন আট হাজার নার্স নিয়োগ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সাদেকের শুভেচ্ছা গ্রাজুয়েট নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন ড. মোহাম্মদ ইউনুস চিকিৎসক, নার্স সহ শীঘ্রই ২০ হাজার নিয়োগ আসছেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী দারিদ্র ও মেধাবীদের লোনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সাময়িক স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। রাজধানীর দুই নার্সিং শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো সিলেট ওসমানী বিএনএ বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা মান্ধাতার আমলেরঃ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সাবেক অধ্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করতে নার্সদের অভিযোগ সরাসরি জানাতে বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় পর্যায়ে আইসিইউ প্রশিক্ষণ চালু রাখায় ওসমানী বিএনএ’র কৃতজ্ঞতা

কোয়ারেন্টিনে কেমন আছেন বারডেম নার্সিং কলেজ এর শিক্ষার্থীরা ও তাদের অনলাইন ক্লাসের ভাবনা’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
  • ৪০৯ Time View
মোঃ আমিনুল ইসলাম অনিক,
বারডেম নার্সিং কলেজ।
Ambassador of Monitoring Committee (BSc),
BDnursing24.com
ক্ষুদ্র একটি অনুজীব পুরো পৃথিবীকে যেন নিঃস্তব্ধ করে ফেলেছে। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। করোনা ভাইরাস সংক্রমিত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশেও সংক্রমনের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সংক্রমনের ঝুঁকি এড়াতে গত ১৮ মার্চ থেকে আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এ পরিস্থিতিতে কেমন কাটছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বারডেম নার্সিং কলেজ এর শিক্ষার্থীদের দিনকাল।
তাদের কাছে প্রশ্ন ছিল আপনাদের দিনকাল কেমন কাটছে, পড়াশোনা নিয়ে তাদের ভাবনা কি, অনলাইন ক্লাস নিয়ে তাদের মতামত এবং সকলের বন্ধুত্বের বর্তমান অবস্থা নিয়ে..এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছেন বারডেম নার্সিং কলেজের বর্তমান শিক্ষার্থীরা। চলুন তাদের মতামত জেনে নেওয়া যাক….
তামিম ইসলাম, ৪র্থ বর্ষ
আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। আগে নামাজ, রোজা করতাম না, দুনিয়া নিয়ে ব্যাস্ত ছিলাম। আর এখন মৃত্যুর পর কি হবে সেটা নিয়ে ভাবি।কি করলাম,কতটুকু করলাম পরকালের জন্য তা ভাবি।সবকিছু মিলিয়ে ভালোই আছি। পড়াশোনা নিয়ে আমরা সারাবছরই কমবেশি ব্যস্ত থাকি তাই এখন পড়াশোনা নিয়ে কিছু ভাবছি না।বেচে থাকাটায় এখন অনেক চ্যালেঞ্জের তাই বেচে থাকলে পরাশোনা নিয়ে ভাববো।
সেতু সিকদার, ৩য় বর্ষ :
গত মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই হোম কোয়ারেন্টাইন জীবন যাপন করছি। পরীক্ষা শেষে ছুটিতে বাসায় এসেছিলাম। হঠাৎ করে নির্দিষ্টকালের ছুটি অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে পরিণত হলো। প্রথম-প্রথম ভালো লাগলেও এখন অনেকটা বিরক্তিবোধ হয়।
দেখা যাচ্ছে, দিনের দীর্ঘ একটা সময় ঘুমিয়ে কাটছে। তাছাড়া, মাঝে-মধ‍্যে বাসার টুকটাক কাজ করা হচ্ছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যেটা হচ্ছে তা হলো সারাদিন মোবাইল নিয়ে সময় কাটানো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমগুলো- ফেসবুক, হোয়াটসঅ‍্যাপে নিজেকে ব‍্যস্ত রাখা। মাঝে-মধ‍্যে ইউটিউব,অনলাইনে নিজের পছন্দমতো কোনো সিরিজ দেখা, কোনো লেখকের ছোটগল্প প‍ড়া,সিনেমা দেখা,নাটক দেখা। করোনা দুর্যোগের এই লকডাউনের প্রাক্কালে পড়াশোনা আর তার সাথে সম্পর্কিত সব ভাবনা-চিন্তা একটু হলেও শিথিল হয়ে গেছে। তাছাড়া,মাঝে-মধ‍্যে অনেক কিছুই ভাবছি যেমন- আর কতদিন এভাবে?এই বছরটা কি তবে নির্ধারিত পড়াশোনার কর্মসূচি থেকে বাদ যাবে?অনলাইন ক্লাস কি আদৌ সক্ষম নির্ধারিত সিলেবাস শেষ করতে?নাকি দ্রুতই সব ঠিক হয়ে যাবে?আবার মাঝে-মধ‍্যে কিছুই ভাবছি না। সময়ের সাথে পার করে দিচ্ছি। একজন নার্সিং শিক্ষার্থী হবার দরুণ আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও এর সাথে সম্পর্কিত। এই পেশায় সম্মানের সাথে নিয়োজিত থেকে,এই কোর্সের নির্ধারিত পড়াশোনা শেষ করে ভালো কিছু করার অভিপ্রায় অবশ্যই আছে। তবে সত‍্যি বলতে গেলে, পড়াশোনা সংক্রান্ত কিছুটা ভাবনা-চিন্তা অবশ্যই আছে।চলমান পরিস্থিতির এমতাবস্থায় শিক্ষা কার্যক্রম অব‍্যাহত রাখতে, প্রযুক্তির কল‍্যাণে অনলাইন ক্লাসের ব‍্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটা কি সময় উপযোগী? সব শিক্ষার্থীদের পক্ষে কি এটা সম্ভব হচ্ছে?? এক্ষেত্রে, শিক্ষার্থীদের সুবিধা আর অসুবিধার দিক গুলোর দিকে একটু আলোকপাত করা যাক।
অনলাইন ক্লাসের সুবিধাঃ
১. অনলাইন ক্লাসে নোট করার ঝামেলা থাকে না। ক্লাস লেকচার দু-এক মিনিটেই কপি করে যার যার মোবাইল অথবা ল‍্যাপটপে সেভ করে রাখা যায় অথবা নির্দিষ্ট কোনো ওয়েব পেজে সুরক্ষিত করে রাখা যায়।
২.ইণ্টারনেট কানেক্টিভিটি ভালো থাকলে,শিক্ষক-শিক্ষিকাদের লেকচার সহজেই আত্মস্থ করা যায়।
৩ যেহেতু অনলাইন ক্লাস সেহেতু অনেক শিক্ষার্থী একসাথে, তাই একটা ভার্চুয়াল ভালো কানেকশন তৈরি হয় আর এই কোয়ারেন্টাইন জীবনেও প‍ড়াশোনা একদম বিচ্ছিন্ন হয় না।
অনলাইন ক্লাসের অসুবিধাঃ
১। অনলাইনে প্রতিনিয়ত ক্লাস করা সব শিক্ষার্থীদের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়। কারণ,আমাদের অধিকাংশ শিক্ষার্থী-ই রাজধানীর বাইরে নিজ গ্রামে অথবা অনেক প্রত‍্যন্ত অঞ্চলে থাকে।
২। অর্থনৈতিক সমস‍্যাজনিত কারণে অনেক শিক্ষার্থীদের পক্ষে অনলাইন ক্লাস করা সম্ভবপর নয় আর এটা সম্ভব হলেও ইন্টারনেট,ওয়াই-ফাই খরচের কোনো সুযোগ না থাকার কারণে প্রতিনিয়ত এমবি (মেগাবাইট) কিনে ক্লাস করা এক অসম্ভব ব‍্যাপার। এটা শুধু স্বচ্ছল পরিবার আর রাজধানীসহ বিভাগীয় ও জেলা শহরে যাদের বাসা তাদের পক্ষেই সম্ভব।
৩। তাছাড়া, অনলাইন ক্লাসের পাঠদানে শুধুমাত্র তাত্ত্বিক বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত করা যায়,ব‍্যবহারিক বিষয়ে অতটা প্রখর জ্ঞান পাওয়া যায় না যা একজন নার্সিং শিক্ষার্থী হবার দরুণ একান্ত প্রয়োজন।
আর বর্তমানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ায় দেখা মিলছে না সেই চেনা পরিচিত মুখগুলো- ব‍্যাচমেট,বন্ধু-বান্ধবী। সেই প্রতিদিনের মতো সুন্দর সকালে পাশাপাশি বসে ক্লাস করা হচ্ছে না, ক্লাস চলাকালীন সময় ফিসফিস করে ব‍্যাচমেটের কানে কানে কথা বলা হচ্ছে না,কলেজের অলিগলিতে আর হাঁটা হচ্ছে না,ক‍্যান্টিনে বসে একসাথে খাওয়া,একসাথে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে সেই আড্ডাটা আর হচ্ছে না। চার দেয়ালে আবদ্ধ হয়ে গেছে এসব সুন্দর,মজার স্মৃতি। কিন্তু বতর্মানে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ‍্যমগুলো-ফেসবুক, হোয়াটসঅ‍্যাপের মাধ্যমে আজকাল যোগাযোগ অনেক সহজতর হয়ে গেছে। হয়তো সবসময় যোগাযোগ সম্ভব হয় না, কিন্তু মাঝে-মধ‍্যে এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর দৌলতে ব‍্যাচমেট,বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে চ‍্যাটিং,অডিও কলে কথা বলা,গ্রুপ ভিডিও কলে কথা বলা হচ্ছে। এছাড়া,আগের পুরনো দিনের প্রাণবন্ত,মজার,হাসি-হুল্লোড়ের ধারণকৃত কিছু মুহূর্তের ছবিও ফেসবুকে শেয়ার করা হচ্ছে। আশা রাখি ভালো সময় আসবে,পৃথিবী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে,চেনা মুখগুলো সুস্থ থাকবে। আবারও চায়ের কাপে জমবে আড্ডা,নতুন করে আবারও দেখা হবে সবার সাথে-সেই প্রত‍্যাশায় কাটছে দিন,কাটছে সময়।
কিংকর হালদার,৩য় বর্ষ :
দিনকাল ভালোই কাটছে। বাবা মায়ের কাছে আছি এর থেকে ভাল আর কি হতে পারে? আমি খেলাধুলা নিয়ে ভালোই আছি। আপাতত পড়াশোনা নিয়ে খুব একটা ভাবছি না। আমার মনে হয় নভেম্বরে ক্লাস খুললেও মেক-আপ করতে পারবে। কমপক্ষে আত্মবিশ্বাসটুকু আছে।অনলাইন ক্লাসের খুব একটা সুবিধা আমি দেখিনা। সুবিধা একটাই কলেজের সবার সাথে সীমিত আকারে গেট টুগেদার হয়। আমি অনলাইন ক্লাসে খুব একটা আগ্রহী না। আর অসুবিধা অনেক আছে। নেট কিনে চালাতে হয়, গ্রামে ভাল নেট পাওয়া যায় না। অনলাইন ক্লাস মানে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো, এই আর কি।অনেকের সাথেই যোগাযোগ আছে, তবে অনার্স লাইফের বন্ধুত্ব দৃশ্যত ভালো দেখালেও ভালো বন্ধু পাওয়া কস্টকর। মুজাম্মেল হোসেন,৪র্থ বর্ষ : আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি। পড়াশোনা নিয়ে এখন ভাবতেছি না। অনলাইন ক্লাসের সুবিধা হলো এখন এই অবসরে একটু একটু করে পড়া হলে পরবর্তীতে চাপ কম পরবে আর অসুবিধা হলো নেটওয়ার্ক প্রবলেম এবং ইকোনমিক্যাল প্রবলেম। মোঃ সাব্বির হোসেন সাকিব,৪র্থ বর্ষ : দিনগুলো খুবই খারাপ কাটছে। মাঝে মাঝে এ বিষয়গুলোর জন্য খুব ডিপ্রেসড লাগে। আর খুব একা একা লাগছে।পড়াশোনা নিয়ে আমি সর্বদা কলেজ এর পক্ষে..
প্রিথুলা হালদার,৪র্থ বর্ষ :
দিন কাল কেটে যাচ্ছে কোনো রকম। এক কথায় অলসতায় কাটছে। এই কোয়ারেন্টিনে পড়াশুনো করা উচিত মনে হয়,কিন্তু পড়া হয় না।অনলাইনের ক্লাসের সুবিধা হলো কিছুটা হলেও পড়া হচ্ছে আর অসুবিধা নেটওয়ার্ক সমস্যা।সবার সাথে যোগাযোগ, বন্ধুত্ব – কথা বার্তা হয়, যোগাযোগ ভালোই হয়। কাজী নুসরাত জাহান ত্বন্নী,২য় বর্ষ : আলহামদুলিল্লাহ সময় ভালোই কাটছে। এই দুর্যোগের সময় পরিবারের সাথে থাকতে পারছি এটাই অনেক। পড়াশুনা নিয়ে খুবই চিন্তিত। যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এভাবেই বন্ধ থাকে তাহলে পড়াশুনায় অনেক ব্যাঘাত ঘটবে। এই জন্য আমাদের পুরো একটি বছর নষ্ট হয়ে যেতে পারে। পিছিয়ে যেতে পারি এক বছর। তাই এটা নিয়ে চিন্তিত। প্রতিটা কাজের সুবিধা অসুবিধা আছে। অনলাইন ক্লাস এর সুবিধা হলো আমরা একটু হলেও পড়া এগিয়ে রাখতে পারবো। মোটামুটি একটা জ্ঞ্য নিতে পারবো।আর অসুবিধা হলো কোনো টপিক জানলেও পুরোপুরি বুঝতে পারবো না। সরাসরি ক্লাস এর মতো করে বুঝতে পারবো না। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের কমিউনিকেশন একটা গ্যাপ থেকেই যাবে। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে নেটওয়ার্ক সমস্যা ছুটির কারণে অনেকেই আমরা গ্রামে। তাই নেটওয়ার্ক সমস্যা অনেক বেশি। যার জন্য ডেইলি ক্লাস এ অ্যাটেন্ড করা সম্ভব না। এতে লেকচার মিস করার সম্ভাবনা আছে
জান্নাতুল ফেরদৌস প্রিয়া,৩য় বর্ষ
প্রায় ৩ মাস যাবৎ কোয়ারেন্টিনে আছি। এসময়ে ছুটি কাটাচ্ছি তাও আবার অনির্দিষ্টকালের ছুটি। ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম কবে দীর্ঘদিনের ছুটি পাবো। যদিও স্কুল লাইফে ছুটি পেয়েছিলাম কিন্তু এতো দীর্ঘদিনের নয়।তবে এখন সময়টা ভিন্ন।প্রথম দিকে করোনা আতংকে দিন কাটালেও এখন অনেকটা মানিয়ে নিয়েছি।এ সময়ে মনোবল দৃঢ় রাখাটায় জরুরি। যতটুকু সময় পাচ্ছি তার পুরোটায় পরিবারের সাথে ব্যায় করছি।অনলাইন ক্লাস চললেও সেটা তো আর সরাসরি ক্লাস এর মতো হয় না। এগুলোর সাথেও মানিয়ে নিয়ে যতটুকু সম্ভব নিজের পড়াশোনা চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।তবে এ বন্দী সময়ে আমার ছোট ছোট মুহুর্তগুলো বেশ উপভোগ করছি।বন্ধু বান্ধবীদের সাথে সেই পুরোনো আড্ডা না থাকলেও ভার্চুয়াল আড্ডা থেমে নেই। পরিশেষে সবাই একটাই আশা বুকে বেধে আছি..”শীঘ্রই দেখা হবে সুস্থ পৃথিবীতে ”
মোঃ মেহেদী হাসান,২য় বর্ষ :
আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আল্লাহ যদি বাচিয়ে রাখেন তবে পরীক্ষার আগে পড়াশোনা নিয়ে ভাববো।অনলাইন ক্লাস এর সুবিধা হলো পড়াশোনার রেগুলারিটি থাকে। আর অসুবিধা বলতে নেটওয়ার্ক সমস্যা এবং ইন্টারনেট প্যাক এর অস্বাভাবিক মুল্য।নেটওয়ার্ক সমস্যার জন্য সবার সাথে সেইভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় না।
আয়েশা সিদ্দিকা,২য় বর্ষ :
আলহামদুলিল্লাহ দিন ভালই কাটছে । আল্লাহর রহমতে ভালো আছি পড়াশোনার কথা বলতে গেলে বলব যে কলেজ তো বন্ধ তাই ওরকম ভাবে পড়া হচ্ছে না যেটা হওয়া উচিত। কলেজের অনলাইনে ক্লাস করার সুবিধা হচ্ছে মোটামুটি পড়াশোনাটা একটু কাভার করতে পাড়া কিন্তু অন্যদিকে অসুবিধা অনেক আছেন যেমন নেটের প্রবলেম গ্রামে যারা আছে তাদের জন্য এই ক্লাস করাটা একদমই অসম্ভব বললেই চলে। আবেশ মিথ্যের সাথে একমাত্র অনলাইনে সবার সাথে কথা বলতে পারি এবং তাদের সাথে মোটামুটি যোগাযোগ বজায় রাখতে পারছি।এইতো এভাবেই চলছে আমাদের এখনকার সময়টা আপনারা ভালো থাকবেন ধন্যবাদ…
মারিয়া সুলতানা, ১ম বর্ষ :
দিনকাল ভালোই যাচ্ছে কিন্তু ব্যাস্ততার মাঝে।পড়াশোনা তো সবসময়ই করা লাগে।অনলাইন ক্লাস খুব একটা খারাপ লাগছে না তবে মাঝে মধ্যে নেটওয়ার্ক প্রবলেম এর জন্য বিরক্ত লাগে।আর অনলাইন ক্লাস তো সরাসরি ক্লাসের মতো হয় না।আর ব্যাচমেটদের সাথে এখন একটু বেশিই যোগাযোগ রাখা লাগে।

 

 

প্রকাশনায়ঃ ফাহাদ আল মাহফুজ তামিম

(BIRDEMNC-6)
চিফ অ্যাম্বাসেডর (bdnursing24.com),ফ্যাকাল্টি অফ মেডিসিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102