বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
করোনায় মৃত্যুবরণ করা এক যুবকের শেষ কথাগুলো গ্রাজুয়েট নার্সিং কোর্সের শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানালেন ড. মোহাম্মদ ইউনুস চিকিৎসক, নার্স সহ শীঘ্রই ২০ হাজার নিয়োগ আসছেঃ স্বাস্থ্যমন্ত্রী দারিদ্র ও মেধাবীদের লোনের মাধ্যমে ডিপ্লোমা নার্সিং কোর্সে অধ্যায়নের সুযোগ করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া সাময়িক স্থগিত করেছে সৌদি সরকার। রাজধানীর দুই নার্সিং শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার দায়িত্ব নিলো সিলেট ওসমানী বিএনএ বাংলাদেশের নার্সিং শিক্ষা মান্ধাতার আমলেরঃ চট্টগ্রাম মেডিকেলের সাবেক অধ্যক্ষ সেবা নিশ্চিত করতে নার্সদের অভিযোগ সরাসরি জানাতে বললেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিভাগীয় পর্যায়ে আইসিইউ প্রশিক্ষণ চালু রাখায় ওসমানী বিএনএ’র কৃতজ্ঞতা কক্সবাজারে ৮৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরির সুযোগ বিএসএমএমইউ’তে গ্রাজুয়েট নার্সিং শিক্ষার্থীদের ক্যাপিং সেরিমনি অনুষ্ঠিত

করোনা ফ্রন্টলাইন ফাইটারসদের আত্মজীবনি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২০
  • ৩২৫ Time View
{"uid":"3A71FD5F-1290-453B-986C-FDA783823F69_1597242465062","source":"other","origin":"gallery"}

শেখ মতিউর রহমান, ঢাকা:  সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে আপনি চামড়ার মত দুটি পরোটার মুখ দেখবেন।
এটা কি খাওয়া যায়? 🙂না খেলেও উপায় কই?😐 এটা ভেবে ভেবে কয়েক টুকরা মুখে ঢুকবে, না ঢুকলে পানি দিয়ে গিলতে শুরু করবেন ।

এমন মুহুর্তে ঘড়ির কাটার দিকে চোখ পরতেই দেখবেন আপনার হাতে আর সময় নেই।🕢
কোনোভাবেই এই পরোটা শেষ করা আপনার পক্ষে সম্ভব না।❎

তেমনি করেই আপনি বেরিয়ে পরবেন। 🚶‍♀️
আপনার ডিউটি করোনা ওয়ার্ডে। আপনি করোনা রোগীর সাথে ডিরেক্ট কন্টাকে যাওয়ার জন্য রেডি।

অতপর আপনি একটা বস্তার মধ্যে ঢুকলেন, নাকের উপর N95 সহ ৩-৪ মাস্ক দিয়ে বেরিবাধ দিলেন এতে করে আপনার নাকের চামড়া নাও থাকতে পারে,কানটা ছিড়েও যেতে পারে, চশমার ফাক ডিয়ে করোনা ঢুকে যেতে পারে তাই একটা গগলস পরলেন, না না এটাও যথষ্ট নয় মাথা থেকে গলা পর্যন্ত এরো একটা পর্দা দিতে হবে। বিশ্বাস করেন ভাই এমন ভাবে আপনাকে বসাই রাখলেও আপনি আধমরা হয়ে যাবেন। বসা তো দুরের কথা এই যে আপনার চক্কর শুরু হইছে টানা ৭ ঘন্টা এই চক্কর অতিবাহিত হবে।

আপনি কিন্তু নরমাল ভাবে কথা বলতে পারবেন না, যত শক্তি প্রয়োগ করে চিল্লানো যায় সব শক্তি আপনাকে প্রয়োগ করতে হবে,কারন এতো বেরিবাধ অতিক্রম করে আপনার কথা কেউ শুনবে না।

সব রুমে রুমে গিয়া সবার সমস্ত কাজ শেষ করার পরেও আপনাকে রোগীর মেন্টল্লি সেটিসফেকশন দিতে হবে। আপনি ঠিক মত খেয়েছেন কিনা, ঠিক মত ঘুম হল কিনা, আপনার একা লাগছে কিনা,মনের সব কষ্ট বলে যান ওদিকে আপনি কিন্তু সকালে দুইটা পরাটাও শেষ করে আসতে পারেন নাই, এর মদ্ধে পানি ফোটাও আপনার মুখে ওঠেনি।

কিন্তু মাঝে মধ্যে কয়েক ফোটা ঘাম আপনার মুখে চলে গেছে।🙂🙃

সত্য কথা কি যানেন এই পরিস্থিতি থেকে বের হয়ে শরীর দিয়ে আর কুলায় না। পরিবারের কারো সাথে হয়তো ভালভাবে দুইটা কথা বলতেও মন চায় না , মন আসলে চায় কিন্তু পারা যায় না। কেউ হয়তো ভেবেই বসে অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে।🙁

আসলে পরিবার ও তো চায় সব কাজ শেষে সবার সাথে হেসে খেলে কথা বলবে। পরিবারকেও কিন্তু তারই মেন্টাল সেটিস্ফেকশন দিতে হবে। কিন্তু সে তো একজন মানুষ তার সেটিস্ফেকশন দেয়ার কেউ কি আছে?🙂

লিখাটা একান্ত ব্যক্তিগত হয়তো আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা কিছু মেয়েদের জীবনের সাথে মিলে যাবে।

লেখক: মুসলিমা জাহান সাকুরা

Army Nursing College, Dhaka

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102