মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৯:০১ অপরাহ্ন

মাত্রাতিরিক্ত জিঙ্ক সেবন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৫৭৩ Time View

 

**সিনিয়র রিপোর্টারঃমরিয়ম আক্তার

করোনা মহামারির পাশাপাশি এখন সর্দি ও জ্বরের মৌসুম। আপনি হয়তো শুনেছেন, জিঙ্ক সেবন করলে সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু জিঙ্ক কতটা গ্রহণ করলে তা অতিরিক্ত হয়ে যাবে?

হেলথ ডাইজেস্ট ডটকমের এক প্রতিবেদনে থেকে জানা যায় যে, জিঙ্কে মিনারেল রয়েছে, যা আমরা মাংস ও শস্যযুক্ত খাবারে পেয়ে থাকি। কিছু খাবার রয়েছে, যেগুলোতে উচ্চমাত্রায় জিঙ্ক রয়েছে। শারীরিক বৃদ্ধি, স্বাদ-গন্ধ, এমনকি বিভিন্ন রোগ থেকে সুরক্ষায় জিঙ্ক প্রয়োজন। সুষম খাবার গ্রহণ করলে সেটা এমনিতেই পাওয়া যায়। অনেকে আবার সাপ্লিমেন্ট হিসেবে মাল্টিভিটামিনস বা জিঙ্ক সেবন করে থাকেন।

তবে অতিরিক্ত জিঙ্ক সেবনকে জিঙ্ক পয়জনিংও বলা হয়ে থাকে, আর তা মারাত্মক হমাত্রাতিরিক্ত জিঙ্ক সেবন পরামর্শ ছাড়া খাওয়া ঠিক নয়। চিকিৎসকেরা বলেন, একজন প্রাপ্তবয়ষ্ক মানুষের দিনে ১৫ মিলিগ্রামের বেশি জিঙ্ক সেবন করা অনুচিত। মানুষ সাধারণত হাজার গুণ মাত্রা না ছাড়ালে জিঙ্ক পয়জনিংয়ের লক্ষণ দেখতে পায় না।

অতিরিক্ত জিঙ্ক গ্রহণের ফলে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা, ব্যথা, বমিভাব ও ডায়রিয়া হতে পারে; যা জিঙ্ক পয়জনিংয়ের লক্ষণ। দীর্ঘদিন জিঙ্ক সেবনের ফলে স্বাদ বদলে যেতে পারে।

উচ্চমাত্রায় জিঙ্ক সেবন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। এমনকি শরীরে ভালো কোলেস্টেরল উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে। শুধু তা-ই নয়, জিঙ্ক পয়জনিংয়ের কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। আপনি যদি মনে করে, আপনার জিঙ্ক পয়জনিং হয়েছে, তবে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সকলের একটু সচেতনতাই বাড়িয়ে তোলে ভালো থাকার প্রয়াস।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102